Skip to content

টানা ১১ টি বলে ১১ টি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ভারতীয় এই একমাত্র ক্রিকেটার রেকর্ডটি গড়েছেন নিজের নামে

    ভারতের অন্যতম প্রধান খেলার মধ্যে ক্রিকেট (cricket) অন্যতম। সার্ভে করলে দেখা যাবে, দেশে হয়ত ক্রিকেট প্রেমী মানুষের সংখ্যা সর্বাধিক। পাড়ার গলি থেকে শুরু করে বড় স্টেডিয়াম, ক্রিকেটের (cricket) দাপট সব জায়গাতেই দেখা যায়।

    ২২ গজের এই যুদ্ধে এক খেলোয়াড় ব্যাট হাতে উইকেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন। আর অপরদিকে উইকেটকে পেছনে ফেলে বল নিয়ে দৌড়ে যান অপর খেলোয়াড়। বল ব্যাটে সজোরে লাগলেই, চার কিংবা ছয়ের রোল ওঠে স্টেডিয়াল জুড়ে। আর সেইসঙ্গে আম্পায়ারও নিজ ভঙ্গিতে বুঝিয়ে দেন রান হয়েছে নাকি আউট হয়েছে।

    তবে ক্রিকেট (cricket) জগতে যে কোন সময়ে যা কিছু হতে পারে। আজ যে ব্যাটসম্যান ভালো রান করছেন, কাল তিনি প্রথম বলেই আউট হয়ে যেতে পারেন। তবে খেলোয়াড়রা যখনই মাঠে নামেন, কিছু করে দেখানোর জন্যই নামেন।

    সেরকমই একজন প্রাক্তন অলরাউন্ডার খেলোয়াড় ছিলেন, যিনি টানা ১১ টি বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে রেকর্ড গড়েছেন। তিনি আর কেউ নন, ভারতীয় ক্রিকেট দলের একজন সুখ্যাতি সম্পন্ন খেলোয়াড় ইউসুফ পাঠান (yusuf pathan)। নিজের ক্রিকেট কেরিয়ারে এক উজ্জ্বল ইনিংস খেলেছেন এই খেলোয়াড়।

    ডানহাতি শক্তিশালী এবং আক্রমণাত্মক এই ব্যাটসম্যান আবার ডানহাতি অফব্রেক বোলারও। ২০০৭ সালে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় ভারতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েও খেলার সুযোগ পাননি তিনি। তবে ফাইনাল ম্যাচে সুযোগ পেয়ে ১৫ রান করেন এবং এক ওভারে ৫ রান দেন।

    এরপর ওয়ানডে দলে খেলার সুযোগ পেয়ে নিজেকে প্রমাণ করা শুরু করেন ইউসুফ পাঠান (yusuf pathan)। তারপর ২০০৮ সালে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি রাজস্থান রয়্যালস কিনেছিল এই খেলোয়াড়কে। আর প্রথম আসরেই চার হাফ সেঞ্চুরির সাহায্যে ৪৩৪ রান করেন ইউসুফ পাঠান (yusuf pathan)। উইকেট নিয়েছিলেন ৮ টি।

    ইউসুফ পাঠানের ক্রিকেট কেরিয়ারে সবথেকে স্মরণীয় ম্যাচ ছিল ২০১০ সালের আইপিএল, যেখানে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে তাঁকে খেলতে দেখা গিয়েছিল। আর সেখানে পরপর ১১ টি বলে ৬, ৬, ৬, ৬, ৪, ৪, ৬, ৪, ৪, ৪, ৪ রান করে রেকর্ড তৈরি করেছিলেন এই ভারতীয় ক্রিকেটার। ৩১ বলে ১০৯ রান করে আইপিএলে দ্রুততম সেঞ্চুরি করা বিশ্বের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসাবে সম্মানিত হন তিনি।